Posted in

বাংলাদেশের কাছে অস্ট্রেলিয়া হারতেই আসরে এক দেশ! টেস্ট জয়ের হিসেব দিয়ে খোঁচা ইংল্যান্ডকে

আবার আসরে আইসল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। আবার মজা করেছে তারা। অস্ট্রেলিয়াকে তাদের ঘরের মাঠে প্রথম টেস্টে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচের পর ইংল্যান্ডকে খোঁচা মেরেছে আইসল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।

শেষ ১৫ বছরে অস্ট্রেলিয়াকে তাদের দেশের মাটিতে এক বারই হারাতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। একই হাল ইংল্যান্ডেরও। ১৫ বছরে তারাও অস্ট্রেলিয়াকে তাদের ঘরের মাটিতে এক বারই হারিয়েছে। ১৪ বছর আগে এসেছিল সেই জয়। তার পর থেকে আর জিততে পারেনি তারা।

দুই দলের এই পর়িসংখ্যান তুলে ধরে সমাজমাধ্যমে আইসল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড পোস্ট করেছে, “মজার তথ্য: গত ১৫ বছরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের টেস্ট জয়ের সংখ্যা ইংল্যান্ডের সমান।” দ্রুত এই পোস্ট সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ভারত ও পাকিস্তানের পর এশিয়ার তৃতীয় দেশ হিসাবে অস্ট্রেলিয়াকে তাদের ঘরের মাটিতে হারিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বের দ্বিতীয় দ্রুততম দল হিসাবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে জিতেছে তারা। খেলা শেষে অধিনায়ক শান্ত বলেছেন, “ক্রিকেটের যে কোনও ফরম্যাটে এখনও পর্যন্ত এটাই সবচেয়ে বড় জয়। আগামী দিনে আমাদের আরও ভাল খেলতে হবে। নিজেদের কাছে নিজেদের প্রমাণ করতে হবে। ধারাবাহিক ভাবে ভাল ক্রিকেট খেলতে হবে।”

নিজেদের প্রমাণ করার তাগিদই জিতিয়েছে বাংলাদেশকে। তাদের ছোট করে দেখেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেই কারণেই হয়তো মেলবোর্ন, সিডনি, পার্‌থ বা ব্রিসবেনে নয়, টেস্ট রাখা হয়েছিল ডারউইনে। মাত্র পাঁচ হাজার দর্শক এখানে খেলা দেখতে পারেন। এই প্রথম পুরুষদের কোনও টেস্ট সেখানে হয়েছে।

২৩ বছর পর বাংলাদেশ সিরিজ় খেলতে গিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। প্রস্তুতি ম্যাচে ঘরোয়া একটি দল তাদের ৫৪ রানে অল আউট করে দিয়েছে। সেই বাংলাদেশ যে পূর্ণ শক্তির অস্ট্রেলিয়াকে এ ভাবে হারাবে, তা ভাবা যায়নি। বাংলাদেশকে দেখে বোঝা গিয়েছে, নিজেদের প্রমাণ করার তাগিদ তাদের ছিল। সেই তাগিদই তাদের এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে।

শান্ত এই জয়ের কৃতিত্ব দিয়েছেন দলের পেস আক্রমণকে। তিনি বলেছেন, “শুধু স্পিন বোলিংয়ের উপর নির্ভর করে আমরা অস্ট্রেলিয়ায় আসিনি। দলের জোরে বোলিং আক্রমণকেও শক্তিশালী করেছি আমরা। মানসিকতা পরিবর্তন করেছি। বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। পাঁচ বছর আগেও আমাদের জোরে বোলারেরা টেস্ট খেলতে চাইত না। আমরা এখন অনেক টেস্ট খেলছি। জোরে বোলারেরাও গুরুত্ব দিচ্ছে। ওরাও এখন ভাল খেলতে চায়। বিশ্বমানের পারফরম্যান্স করতে চায়। মানসিকতার এই পরিবর্তনটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *