চার বছর পর যে বিশ্বকাপ হবে, সেখানে ইতিমধ্যেই জায়গা পাকা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। ফিফার এক সিদ্ধান্তের কারণেই জায়গা পাকা হয়ে গিয়েছে এ বারের রানার্সের।
এ বার ফাইনালে হারতে হয়েছে। পর পর দু’বার বিশ্বকাপ জেতা হয়নি আর্জেন্টিনার। অথচ ইতিমধ্যেই ২০৩০ বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ফেলেছে লিয়োনেল মেসির দেশ। ফিফার এক সিদ্ধান্তের ফলে তা হয়েছে।
সাধারণত, বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জনের জন্য যোগ্যতা অর্জন পর্ব খেলতে হয়। আয়োজক দেশ অবশ্য সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। সাধারণত, একটি দেশই আয়োজক দেশ হয়। কিন্তু এ বার থেকেই তা বদলেছে। এ বার আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকোয় বিশ্বকাপ হয়েছে। ফলে এই তিন দেশ আগে থেকে যোগ্যতা অর্জন করে ফেলেছিল। পরের বার সংখ্যাটা হবে ছয়।
২০৩০ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। ফলে তারা ইতিমধ্যেই যোগ্যতা অর্জন করে ফেলেছে। কিন্তু যেহেতু সে বার বিশ্বকাপের ১০০ বছর পূর্ণ হচ্ছে, তাই আরও তিন দেশকে আয়োজক দেশের সম্মান দেওয়া হবে।
১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছিল উরুগুয়েতে। ফাইনাল খেলেছিল উরুগুয়ে ও আর্জেন্টিনা। চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল উরুগুয়ে। ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য আবেদন করেছিল আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়ে। কিন্তু তাদের হারিয়ে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো দায়িত্ব পেয়েছে। কিন্তু লাতিন আমেরিকার তিন দেশকে সম্মান জানাতে ফিফা ঠিক করেছে, সেখানে গ্রুপ পর্বের কয়েকটি ম্যাচ হবে। তার পর প্রতিযোগিতা শুরু হবে ইউরোপের তিন দেশে।
যেহেতু আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়েতে কয়েকটি ম্যাচ হবে, তাই এই তিন দেশকেও আয়োজক ধরা হচ্ছে। ফলে তারাও সরাসরি বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলবে।
পাশাপাশি এ-ও জানা গিয়েছে, ২০৩০ সাল থেকে দলের সংখ্যা বেড়ে হতে পারে ৬৪। এ বারই ৪৮ দেশের বিশ্বকাপ হয়েছে। পরের বার থেকে আরও ১৬টি দেশ বাড়ানো হতে পারে। ফিফা এখনও এই বিষয়ে সরকারি ভাবে কিছু না জানালেও দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থার (কনমেবল) প্রধান আলেহান্দ্রো ডমিনগুয়েজ় তা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “পরের বার ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ। ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়েতে ফিরবে। সে বার ৬৪ দলের বিশ্বকাপ হবে।”